Uncategorized

গাড়ি ফেইসলিফট করার উপকারীতা কতটুকু?

ফেইসলিফট কি? ফেইসলিফট মানে হলো, গাড়ির বাইরের কিছু পার্টস পরিবর্তন করে গাড়ির বাইরের ডিজাইন পরিবর্তন করা। ফেইসলিফট করতে সাধারণত গাড়ির হেডলাইট, টেইল লাইট সামনে-পেছনের বাম্পার, ফ্রন্ট গ্রিল, সাইড ভিউ মিরোর ইত্যাদি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়।

বর্তমান সময়ে অনেক গাড়িকেই ফেইসলিফট করতে দেখা যায়। এরমধ্যে সাধারণত প্রিমিও/এলিয়েন গাড়িতেই ফেইসলিফট হয় বেশি। আপনি ১.৫ লাখ টাকা খরচ করে ২০০৮ মডেলের প্রিমিওকে ২০১৯ মডেলের বানায় ফেলতে পারবেন চাইলে। এটার সুবিধা হলো, গাড়িটা দেখতে আগের চেয়ে হয়তো বেশি সুন্দর দেখায়, আধুনিক দেখায়।

কিন্তু, ফেইসলিফট করা কি আদৌ ভালো?

না, ফেইসলিফট না করাই উত্তম। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই চায়েনিজ পার্টস দিয়ে ফেইসলিফট করে থাকেন। প্রথমত, আপনার গাড়ির মডেল ২০০৮ হলেও, আপনার গাড়িতে অরিজিনাল লাইট আসছে। যেইটার কোয়ালিটি চায়েনিজ লাইটের তুলনায় অনেক বেশি ভালো। সহজে কালো হবে না, পানি ঢুকবে না কখনোই। আপনি ২০০৮ মডেলের গাড়ির অরিজিনাল লাইট বাদ দিয়ে, চায়েনিজ লাইট কেন লাগাবেন? চায়েনিজ লাইটগুলো প্রথম প্রথম দেখতে অনেক সুন্দর দেখাবে। কিন্তু কিছুদিন পর লাইট কালো হয়ে আসবে। চায়েনিজ কেসিং এ লাইটগুলোতে আপনি দামী বাল্ব ব্যবহার করলেও আলো সুন্দর হবে না। এছাড়াও  চায়েনিজ লাইটগুলোর ভেতরে পানি ঢুকে। এইধরনের বেশ কিছু সমস্যা শুরু হবে চায়েনিজ পার্টস দিয়ে ফেইসলিফট করলে। এছাড়াও ফেইসলিফট করা গাড়িগুলো দেখলেই বুঝা যায়, যেইটা পরিবর্তন করা। ফিনিশিং একদম অরিজিনালের মতো হয় না।

ফেইসলিফট যদি করতেই চান, তাহলে অরিজিনাল প্রোডাক্ট দিয়ে ফেইসলিফট করা উত্তম। তবে,এতে আপনার অনেক বেশি খরচ হবে। অর্থাৎ এলিয়েন/প্রিমিও ফেইসলিফট করতে গেলে প্রায় ৩ লাখ টাকার আশপাশে খরচ হবে।

Back to list

Leave a Reply